28 বছর আগে 13 জন যুব কংগ্রেস কর্মী শহীদের স্মরণেই "শহীদ দিবস"
দি নিউজ লায়নঃ আজ থেকে ঠিক 28 বছর আগে, 1993 সালের আজকের দিন অর্থাৎ একুশে জুলাই তৎকালীন সরকারের কাছে প্রত্যেকের সচিত্র পরিচয় পত্র দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছিলো রাজ্য । আর সেই আন্দোলনেই শহীদ হন 13 জন যুব কংগ্রেস কর্মী। তখন রাজ্যের প্রধান বিরোধী কংগ্রেস। যুব কংগ্রেসের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 1998 সালে তৃণমূল দল হলেও ওইদিনটি ভোলেননি।
2011 সালে এ রাজ্যে 34 বছরের বামফ্রন্ট সরকার কে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। তবে, দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পয়লা জানুয়ারি, শহীদ দিবস একুশে জুলাই, নেতাজি জন্ম দিবস, সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিন এখনো সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের পক্ষ থেকে। একুশে জুলাই একদিকে যেমন শহীদ স্মরণ অপরদিকে আগামী এক বছরের পথচলার দলের নীতিনির্ধারক দিবসও বটে। তাই ট্রেন-বাস ভিড় করে নেত্রীর নির্দেশ নিজের কানে শুনে আসতে দলে দলে কলকাতার ধর্ম তলায় একুশে জুলাইয়ের মঞ্চের সামনে ভীড় করতেন রাজ্যের শহর তো বটেই, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকেও কর্মী সমর্থকরা।
করোনার কারণে গত বছরের মতো এ বছরেও বন্ধসমস্ত গন পরিবহন ব্যবস্থা, ভার্চুয়াল ভাবে সারা রাজ্যের মতন নদিয়াতেও পালিত হচ্ছে শহীদ দিবস। পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণে বিভিন্ন মাঠে, রাস্তার পাশে, দলীয় কার্যালয়ে, কোথাও বড় জায়ান্ট স্ক্রিন কোথাও বা কাপড়ের পর্দা টাঙ্গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কর্মীদের নির্দেশ শোনা এবং দেখার আয়োজন করেছে প্রতিটি এলাকাতে।
নদীয়ার বিভিন্ন জায়গায় করিমপুর,থেকে কল্যাণী,রানাঘাট থেকে শান্তিপুর,কৃষ্ণনগর থেকে পলাশী সার্বত্রে পালিত হচ্ছে শহীদদিবস।ভার্চুয়াল এর মধ্যে দিয়ে শুনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা।আগামীদিনে কিভাবে এগোতে হবে।

Post a Comment